
সুকুমার দাশ বাচ্চু, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা
“নদী বাঁচাও, জীবন বাঁচাও — আদি যমুনা আমাদের গর্ব, আমাদের অস্তিত্ব।” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে আদি যমুনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটি, সাতক্ষীরা –এর নেতৃবৃন্দের পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা।
রবিবার ( ৯ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও আন্দোলন কর্মীদের উপস্থিতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নদী রক্ষায় যৌথ উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আজিজুর রহমান, দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং আদি যমুনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সম্পাদক আশেক ইলাহী, দৈনিক প্রথম আলো’র স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, জেলা নদী রক্ষা কমিটির সদস্য ও সমম টিভি’র জেলা প্রতিনিধি মোমতাজ উদ্দিন বাপ্পী, জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য নিত্যানন্দ সরকার, শেখ হাসান গফুর, দৈনিক নববেদনা’র ঢাকা প্রতিনিধি ইকরামুজ্জামান, মাই টিভি’র জেলা প্রতিনিধি,আদি যমুনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সদস্য কালিগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. হাফিজুর রহমান শিমুল,কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট জাফর উল্লাহ ইব্রাহিম, তথ্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আহম্মদ উল্লাহ বাচ্চু, দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল পত্রিকার প্রতিনিধি ফজলুল হক, এবং দৈনিক যশোর বার্তা’র প্রতিনিধি শিমুল হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর ও কালীগঞ্জ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি পুনর্জীবী করণ সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় আদি যমুনা নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে আদি যমুনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সাথে ব্যক্তিরা চলমান সাতক্ষীরা ভেটখালী সড়ক নির্মাণের সময় শ্যামনগর উপজেলা মহাশ্মশান পশ্চিমে ও টি এন টি অফিসের পূর্ব পাশে এবং মিঠা চন্ডিপুর এলাকায় নদীর প্রস্থঅনুযায়ী বৃহৎ ব্রিজ নির্মাণ ও কালিগঞ্জ সরোয়ারদী পার্ক সংলগ্ন কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের পাশ দিয়ে নাজিমগঞ্জে যাওয়ার একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি করেন। বক্তারা আর বলেন আদি যমুনা নদী শুধু একটি জলপ্রবাহ নয়—এটি কালিগঞ্জের জনজীবন, সংস্কৃতি ও কৃষির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। নদী পুনরুদ্ধারে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই পারে নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে।সভা শেষে নদী রক্ষায় ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
Leave a Reply