
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নতুন করে আর কোনো রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আমরা একবার উদারভাবে সীমান্ত খুলে দিয়েছিলাম। এখন সেই উদারতা দেখানোর আরো কোনো সুযোগ নেই।
বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির মন্তব্য নিয়ে কথা বলার সময় আমার নেই। তাদের নিয়ে আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই। তাদের মধ্যে ব্যর্থ আন্দোলন, নির্বাচনে অংশ না নেওয়া-এসব কারণে একটা হতাশা আছে। এ কারণে তারা বিরোধিতা করছে, করবে। তারা তো বিরোধী দল, তাদের পেছনে কিছু তো বলতেই হবে। বললে সরকারের খারাপটাই বলতে হবে। কারণ তারা এখন কোনোকিছু ভালো চোখে দেখছে না। তারা হতাশার মধ্যে আছে। এই হতাশা থেকে তারা এসব আবোল-তাবোল বলছে। এগুলোর কোনো বাস্তবতা নেই, এগুলো নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।
সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না সমন্বিত পদক্ষেপ ও সচেতনতার অভাবে। এটি ৪ হাজার ৯শ ৮৮ কোটি টাকার প্রজেক্ট, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ১ হাজার ২শ ৩৮ কোটি টাকা। বাকি ৩ হাজার ৭শ ৭ কোটি টাকা ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। এটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিআরটিএ, বাংলাদেশ পুলিশ ও ডিজিএইচএস।
প্রকল্পের অগ্রগতিতে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, অগ্রগতি যেটুকু হয়েছে, আমি তাতে সন্তুষ্ট নই। এটা আমার প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে নিয়েছি। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে চলে যাবার পর নতুন প্রকল্প আর গ্রহণ করিনি। কিন্তু বিশ্বব্যাংক এই প্রস্তাব দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে গ্রহণ করি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক যে সাহায্য ছিল, সেটা অনেক কমে গেছে। এমন অবস্থায় এই বোঝা আমরা আর কতদিন বইবো?
তিনি বলেন, এটা মিয়ানমারের নিজস্ব সমস্যা। আরাকান আর্মিদের তাদের দেশের সমস্যা। তাদের ইন্টারনাল বিষয় নিয়ে তারা কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার। তাদের সমস্যার জন্য আমাদের এখানে যেন কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগ না হয়, সে বিষয়ে যারা যারা সংশ্লিষ্ট তাদের সঙ্গে কথা বলব। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে গিয়েছেন। চীনের সঙ্গেও আমরা আলাপ আলোচনা করছি।
Leave a Reply