
জাবেদ হোসাইন মামুন, ফেনী প্রতিনিধি:
মেজর অব. বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলাইমান বলেছেন, ভারতের দালাল সেনাকর্মকর্তাদের বিচার চাই। এই বাংলাদেশের মাটিতে তাদের কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ভারতের দালাল সেনাবাহিনী রেখে চাকরি থেকে অবসরে যাইনি। এমন সেনাবাহিনীও চাইনি। আমরা ভারতের আজ্ঞাহ সেনাবাহিনী ও স্বাধীনতা চাইনি। আমরা সেনাবাহিনীতে থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম সোনার বাংলাদেশ দেখার জন্য। কিন্তু আজকে বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতি ভেঙে দিয়েছে।
তাপসকে কথিত হত্যা চেষ্টার ঘটনায় বেশ কয়েকজন মেধাবী সেনাকর্মকর্তাকে নির্যাতন চালিয়ে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পদক প্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা হাসিন ভারতের র’এর আজ্ঞাবহ না হওয়ায় তাকে আয়না ঘরে রেখে নির্যাতন চালিয়েছে। মেজর জিয়াকে জঙ্গি তকমা দিয়ে দুটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসির আদেশ দেওযা হয়েছেিল। কিন্তু আমরা দেশপ্রমিক সেনা সদস্যরা বেঁচে থাকতে কোন অপরাধী সেনাকর্মকর্তার স্থান যেন সেনাবাহিনীতে না হয়। আশা করি আর কখনো অপরাধী সেনাকর্মকর্তা সৃষ্টি হবেনা। আপনারা সবাই সজাগ থাকুন। আমরা আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ চাই। সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী চাই। শনিবার সকালে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী সংগঠন (ব্রাফা’র) দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেনীর সোনাগাজী পৌর শহরের হারবি কনভেনশন সেন্টারে ক্যাপ্টেন অব. আবুল হাশেমের সভপতিত্বে ও সার্জেন্ট অব. জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় উক্ত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনী কর্মকর্তা হাবিব উল্যাহ বাহার ও আবদুল হাদী। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত সভাপতি সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার অব. মো. ইস্রাইল, সিনিয়র সহসভাপতি সার্জেন্ট অব. শেখ ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট অব. লিয়াকত আলী, সাবেক সভাপতি সার্জেন্ট অব. মহি উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট অব. আবদুল হক, সার্জেন্ট অব. মো. নুরনবী ও প্রচার সম্পাদক ল্যান্স কর্পোরাল নুরুল আফছার প্রমূখ।
সম্মেলনে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার অব. মো.ইস্রাইলকে সভাপতি ও সার্জেন্ট অব. মো. লিয়াকত আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সিনিয়র সহসভাপতি মো. আবদুল হক, সহসভাপতি জসিম উদ্দিন, শেখ ফরিদ, সহসাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল হক, সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম হোসেন চৌধুরী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম বাবুল, কোষাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক, প্রচার সম্পাদক নুরুল আফছার, দপ্তর সম্পাদক আবুল খায়ের, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু ইউসুফ, ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য মহি উদ্দিন, আবদুল মতিন, আবদুল হালিম, মাহবুবুল হক, মোবারক হোসেন, আবদুর রহমান, মো. শাহ আলম, এনায়েত উল্যাহ, শাহনেওয়াজ, মো. ফজলুল হক, জিয়াউল হক, আনোয়ার হোসেন ও মো. সোহেল।
Leave a Reply